“জার্সি জাতের গরু যেমন দুধের জন্য ভালো, জার্সি পড়া মানুষও তেমন আবেগের বাম্পার ফলনের জন্য সেরা।”
জার্সি (Jersey Cow): ইংল্যান্ডের জার্সি দ্বীপের এক বিশেষ জাতের গাভী, যা অতিরিক্ত দুধ দেওয়ার জন্য বিখ্যাত। দেশি/বন্য গরুর মতো এদের নিজেদের কোনো স্বাধীনতা বা নিজস্ব সত্ত্বা নেই; এদের খামারে পোষা হয় কেবল দুধের বাম্পার ফলন ও ব্যবসার জন্য।
জার্সি (Sportswear): বিশেষ করে কাফের বা পশ্চিমা ফুটবল দলগুলোর (যেমন ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, বার্সেলোনা বা রিয়াল মাদ্রিদ) চটকদার স্পোর্টস টি-শার্ট।
আসলে—পশ্চিমা কর্পোরেট ব্র্যান্ডগুলো (যেমন ফিফা, এডিডাস বা নাইকি) মুসলিম যুবকদের ঠিক ওই খামারের জার্সি গরুর মতোই এক একটা অবলা প্রাণী মনে করে! খামারিরা যেমন জার্সি গরুকে কৃত্রিমভাবে লালন-পালন করে তার ওলান থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ দুধ চিপে বের করে নেয়, ঠিক তেমনি পশ্চিমা বিশ্ব এই তথাকথিত ফুটবল বা পপ-কালচার দিয়ে মুসলিম যুবকদের মনস্তত্ত্বকে কন্ট্রোল করছে, তাদের ঈমান বের করে নিচ্ছে।
তারা জানে, এই যুবকদের মগজে লাথি মারলেও এরা জাগবে না, কিন্তু এদের প্রিয় দলের একটা জার্সি পরিয়ে দিলে এদের ভেতর থেকে আবেগের বাম্পার ফলন হবে। তখন এরা নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়াবে, কাফিরদের দলের জন্য নিজেদের ঈমান ও গায়রত বিক্রি করে চিল্লাপাল্লা করবে, ফেসবুক/রাস্তাঘাটে রক্তারক্তি করবে। কর্পোরেট দুনিয়া এই অন্ধ-আবেগকে পুঁজিবাদী ডলারে রূপান্তর করে, আর আমাদের যুবকেরা ফ্রিতে তাদের দাজ্জালি এজেন্ডার ডিজিটাল প্রচারক বা গুটি হিসেবে খাটতে থাকে।
একজন তাওহীদী যুবক, যার থাকার কথা ছিল উম্মাহর রণাঙ্গনে বা ই’লমের ত্বলবে—সে আজ একটা বহুজাতিক কোম্পানির লোগো দেওয়া জার্সি গায়ে জড়িয়ে পশ্চিমাদের রঙ্গলীলার অন্ধ গোলাম বনে গেছে।
ওহে (গাফিল) যুবক!
তুমি তো আশরাফুল মাখলুকাত, শ্রেষ্ঠনবী মুহাম্মাদূর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উম্মত। কিন্তু যখন তুমি ইসলামকে পেছনে ফেলে কাফিরদের ছক অনুযায়ী তাদের জার্সি পরে শুভকামনার মাতলামি করো, তখন তোমার আর খামারের ওই অবুঝ জার্সি জাতের গরুর মাঝে কোনো পার্থক্য থাকে না! দুজনেই আসলে মালিকের স্বার্থে নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছে।
© Writes For Ummah
Read • Reflect • Share